রাজনৈতিক, ধর্মীয়, শিক্ষা, ক্রীড়া, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ও মানবিক অনুষ্ঠান প্রচার মাধ্যম।

মাইজভাণ্ডারী দর্শন শীর্ষক সেমিনার: দক্ষিণ ফটিকছড়ি (ঘ) জোনের প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:আরিফুল ইসলাম বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী (ক.) 'র ৯৭ তম পবিত্র খোশরোজ শরীফ উপলক্ষে মাইজভাণ্ডারী দর্শন শীর্ষক ৫ম তম সেমিনার এর প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাইজভাণ্ডারী গাউছিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ, দক্ষিণ ফটিকছড়ি (ঘ) জোনের শাখা সমূহের ব্যবস্থাপনায় আজ, মঙ্গলবার (১১/১১/২০২৫) ঢালকাটা স্কুল মাঠ সংলগ্ন স্থানে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। (ঘ) জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী, মাস্টার মো: নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করেন দায়মোল্লাহ তালুকদার বাডী শাখার সাবেক সভাপতি মো: আবুল কালাম। অনুষ্ঠানের কার্যক্রম ও আলোচনা পবিত্র কোরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে সভার কাজ শুরু হয়, যা পরিবেশন করেন ঢালকাটা শাখার সাবেক সভাপতি, মাওলানা হাফেজ এরশাদ উল্লাহ। এরপর নাতে রাসুল(দ:) পাঠ করেন ঢালকাটা শাখার অর্থ সম্পাদক, মো: ইরফানুল হক এবং মাইজভাণ্ডারী কালাম পরিবেশন করেন ঢালকাটা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক, মনিরুল হক জনি। আলোচনা সভার শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাইজভাণ্ডারী গাউছিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ, নানুপুর শাখার সাবেক সভাপতি, জনাব মো: শাহিন। সভায় মাইজভাণ্ডারী দর্শন ও খোশরোজ শরীফের সেমিনারকে সফল করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা রাখেন: * মাইজভাণ্ডার আমতলী শাখার সভাপতি, মাস্টার মো: নাজিম উদ্দিন। * ধর্মপুর ১নং ওয়াড শাখার সাধারণ সম্পাদক, মাস্টার মো: আলী। * বক্তপুর চারাবটতল শাখার উপদেষ্টা, মো: ইলিয়াস আক্তারী। সভাপতির বক্তব্যে (ঘ) জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়ক, মাস্টার মো: নাসির উদ্দিন সেমিনারটি সফল করতে সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা কামনা করেন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য দিকনির্দেশনা দেন। উপস্থিতি ও মোনাজাত আলোচনা শেষে মিলাদ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ঢালকাটা শাখার সাবেক সভাপতি, মাওলানা হাফেজ এরশাদ উল্লাহ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন (ঘ) জোনের সমন্বয়কারী আক্তারুজ্জামান বাবর ও মাস্টার আজিম উদ্দিন, (খ) জোনের সমন্বয়কারী মো: মাহাবুল আলম সওদাগর, (ক) জোনের সমন্বয়কারী মো: শহিদুল্লাহ। এছাড়াও সেমিনার উদযাপন পরিষদের সদস্য হাদেম সাইফুদ্দিন, মো: জাহেদ, মো: টিপু, মো: শাহিন, আযম, জাহেদ এবং মাইজভাণ্ডারী গাউছিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ, (ঘ) জোনের সকল শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, উপদেষ্টা ও সদস্যবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সড়ক দু'র্ঘট'না'য় ফটিকছড়ির কিশোর নি'হ'ত, গুরুতর আ'হ'ত আরো এক কিশোর

পার্বত্য অঞ্চল মাটিরাঙ্গায় পিকআপ-মোটর সাইকেল মুখোমুখি সংঘ'র্ষে ইয়াছিন আরাফাত নামে ফটিকছড়ির এক কিশোর নি'হ'ত হয়েছেন।ঘটনায় মুহাম্মদ তারেক নামের অপর কিশোর গুরুতর আ'হ'ত হয়। শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গার রসুলপুর যৌথ খামার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইয়াছিন আরাফাত নাজিরহাট পৌরসভা ১নং ওয়ার্ডের সুয়াবিল তৈয়্যবিয়া পাড়ার সামশুল আলমের একমাত্র ছেলে, এবং আ'হ'ত তারেক ৮নং ওয়ার্ড়ের খাস মোহাম্মদ তালুকদার বাড়ির নুরুল ইসলামের ছেলে। জানাগেছে, ঘুরতে গিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বিপরীত দিক হতে আসা পিক-আপের সাথে মুখোমুখি সংঘ'র্ষে ম'র্মা'ন্তি'ক ঘটনাটি ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে ইয়াসিন আরফাত নি'হ'ত হন। আ'হ'ত তারেক'কে স্থানীয়রা চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

ফটিকছড়িতে ভুয়া দাখিলা তৈরি: দলিল লেখককে অর্থদণ্ড

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাজিরহাট এলাকায় ভুয়া দাখিলা তৈরি করে দলিল রেজিস্ট্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে একজন দলিল লেখককে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় এবং অভিযুক্তের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে মোর্শেদ নামের ওই দলিল লেখককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভূমি সেবায় অনিয়ম ও জালিয়াতির বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ফটিকছড়ি উপজেলার খিরাম ইউনিয়নে শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক:) ট্রাস্টের যাকাত ওয়েলফেয়ার ফান্ডের ব্যবস্থাপনায় একটি মানবিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে

রিপোর্টার মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম ফটিকছড়ি উপজেলা প্রতিনিধি। মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ, উত্তর খিরাম শাখার সহযোগিতায় রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫)খিরাম নূরুল উলুম আহমদিয়া রেজভীয়া দাখিল মাদ্রাসায় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে স্কুল, মাদ্রাসা এবং স্থানীয় যুবতী মহিলাদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ঔষধসহ নাক ও কান ফোঁড়ানো হয়। এতে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নুরুল উলুম আহমদিয়া রেজভীয়া দাখিল মাদ্রাসার পরিচালনা পরিষদের (এডহক কমিটি) সভাপতি মাওলানা মোঃ আসাদুজ্জামান নূরী। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রায় ৩৫০ জন মহিলাদের নাক কান ফোঁড়ানো সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানের উপস্থাপনায় ছিলেন ডাক্তার মোহাম্মদ বাহাদুর শাহ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নূরুল উলুম আহমদিয়া রেজভীয়া দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা মোঃ আরিফুর রহমান এবং মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ, ফটিকছড়ি (গ,) জোনের সমন্বয়কারী মোঃ নুরুল হুদা। নাক ও কান ফোঁড়ানোর দায়িত্বে ছিলেন জান্নাতুল নাঈম (নাহি) এবং জান্নাতুল মাওয়া। তাদের সহযোগিতা করেন মোঃ সাগর। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবুল কালাম (সাও), মোহাম্মদ আলি মেম্বার, কাজী আজিম উদ্দিন, নোমান উদ্দিন, নুরুল আলম, মুহাম্মদ মহিউদ্দিন পিয়ারু, আরিফুল ইসলাম, এবং নঈম উদ্দিন। সিরিয়াল রেজিস্ট্রেশনে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ আজিজ, মোহাম্মদ মাজেদ উদ্দিন এবং মোহাম্মদ আরমান সহ স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করেন মুহাম্মদ ছোটন, মুহাম্মদ জিহাদ হাসান,কাউসার সহ অনেকে। এই ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা যায়।
বরগুনার কুয়েত প্রবাসী হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জরায়ু অপসারণের সময় পেটে ৭ ইঞ্চি একটি কাঁচি রেখে সেলাই দিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। সাত মাস পর সেটি অপসারণ করা হয়েছে বরিশাল মেডিকেলে। ভুক্তভোগীর পেটে ধরেছে পচন বুকছেন দুর্বিষহ যন্ত্রণায়। ঘটনা তদন্ত করছেন সিভিল সার্জন। বরগুনা থেকে মোঃ শাহজালাল এর প্রতিবেদন ,,,,,,,, সাত ইঞ্চির কাঁচি টানা ৭ মাস কাঁচিটি পেটে বয়ে বেরিয়েছেন পটুয়াখালী ৬০ উর্ধ্ব কোহিনুর বেগম। বুকছিলেন অসহ্য যন্ত্রণায়। পটুয়াখালীর কলাপাড়ার কোহিনুর বেগম গেল বছরের নভেম্বরে বরগুনায় মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে অসুস্থ হন, নেওয়া হয় বরগুনা কুয়েত প্রবাসী হাসপাতালে। জরায়ুতে সমস্যা ধরা পড়লে সেখানেই অপারেশন করা হয় তাকে। জরায়ু অপারেশনের সময় পেটে ৭ ইঞ্চি সাইজের কাচি রেখে দেওয়া পেটে পচন ধরেছে কহিনুর বেগমের খাদ্যনালীতে। তাই কেটে ফেলতে হয়েছে খাদ্যনালী। এতে মলত্যাগ করতে পারছেন না কোহিনুর বেগম। পেট থেকে মল বের হয়ে জমা হচ্ছে ব্যাগে। স্বজনরা জানান বরগুনা কুয়েত প্রবাসী হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গত ১৮ নভেম্বর কহিনূর বেগমের জরায়ু অপারেশন করেন ডাক্তার ফারহানা মাহফুজ তার সঙ্গে ছিলেন হাসপাতালটির আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার সাফিয়া পারভীন অপারেশনের পর কহিনুর বেগমের পেটে ৭ ইঞ্চি সাইজের একটি কাঁচি রেখে সেলাই করে দেওয়া হয়। পরে অপারেশন সফল হওয়ার কথা জানানো হলেও কহিনুর বেগমের অবস্থা দিন দিন আরও অবনতি হয়। পরে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কহিনুর বেগমের পেটে একটি কাঁচি সনাক্ত করেন চিকিৎসকরা। পরে গত ১৮ জুন অপারেশন করে তা উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে পেটে কাচি থাকায় পচন ধরেছে কোহিনুর বেগমের খাদ্যনালীতে। এতে খাদ্যনালীর একাংশ কেটে ফেলতে হয়েছে। খাদ্যনালী কেটে ফেলায় মলত্যাগ করতে পারছেন না কোহিনুর বেগম। পেটের সঙ্গে একটি ব্যাগে জমা হচ্ছে মল। এখন মুমূর্ষ অবস্থায় বিছানায় শয্যাশায়ী কহিনুর বেগম। এ ঘটনায় ন্যায় বিচার পেতে অভিযুক্ত চিকিৎসকসহ হাসপাতালের বিরুদ্ধে সিভিল সার্জন এর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্বজনরা। ভক্সপপঃ কহিনূর বেগম ও তার স্বজনরা। হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলছেন এ ঘটনার দায়-দায়িত্ব নিতে হবে চিকিৎসকদের। তিনি আরও বলেন নয় মাসের মধ্যে তারা অন্যত্র অপরারেশ করতে পারে। নয় মাস যাবৎ একটা কাটারি পেটের বিতর থাকতে পারে না। ভক্সপপঃ মন্টু ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরগুনা কুয়েত প্রবাসী হাসপাতাল। হাসপাতালে গিয়ে পাওয়া যায়নি অভিযুক্ত দুই চিকিৎসককে। ডাঃ ফারহানা মাহফুজ এর কর্মস্থাল বরগুনা জেনারেল হাসাপাতালে গিয়ে জানাযায় তিনি নয় দিন যাবৎ অনুপস্থিত। পরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস সিভিল সার্জনের সটঃ ডাঃ মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ। ভুক্তভোগী কোহিনূর বেগম বর্তমানে মেয়ের শ্বশুর বাড়িতেই আছেন। চিকিৎসার খরচ যোগাতে হিমশিম খাচ্ছে হতদরিদ্র পরিবারটি। মোঃ শাহজালাল বরগুনা।

বাংলাদেশ জোড়ে