রাজনৈতিক, ধর্মীয়, শিক্ষা, ক্রীড়া, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ও মানবিক অনুষ্ঠান প্রচার মাধ্যম।

বাঁশখালীতে রাসুল (সাঃ) কে নিয়ে কটুক্তি কারি প্রবীর রায় চৌধুরীর ফাঁসির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রিপোর্টোর: মোনতাহেরুল হক আমিন : বাঁশখালী প্রতিনিধি। আমরা বাঁশখালীবাসী চরম ক্ষোভ ও ব্যথার সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, প্রবীর চৌধুরী নামে এক উশৃঙ্খল ও উগ্রচিন্তাধারার ব্যক্তি আমাদের দ্বীন ইসলামের সর্বোচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব, মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিরুদ্ধে অবমাননাকর ও হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) এর নামে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য কটূক্তিপূর্ণ বক্তব্য প্রদানে লিপ্ত হয়েছে। এ ধরনের বক্তব্য কেবল ধর্মীয় অনুভূতির উপর আঘাত নয়, বরং সমাজে চরম বিদ্বেষ, উসকানি ও সহিংসতার জন্ম দিতে পারে। আমরা মনে করি, এ ধরনের জঘন্য অপরাধ দেশের আইন ও সংবিধানেও শাস্তিযোগ্য হওয়া উচিত। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে চাই, তবে আমাদের নবীজীর সম্মান ও মর্যাদার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস কখনোই মেনে নেওয়া হবে না। আমরা শান্তি প্রিয় বাঁশখালীবাসী। তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর দেখতে চাই। অতএব, আমরা সা ধারণছাত্র জনতা বাঁশখালীর পক্ষ থেকে দাবি জানাচ্ছি যে ১. আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সা.)- এর শানে অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে মামলা রুজু ও গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা গ্রহণ সহ রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্ল্যাসফেমি আইনে রাষ্ট্র পক্ষ থেকে মামলা করতে হবে। ২. আগামী এক মাসের মধ্যে নবী অবমাননাকারী প্রবীর চৌধুরীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ৩. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ধর্ম অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে মনিটরিং ও কড়া নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে। ৪. সরকারিভাবে এ ধরনের অপরাধ দমনে বিশেষ আইন ও ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে। ৫. ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। উক্ত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাধারণ ছাত্র জনতা বাঁশখালীর অর্গানাইজার মাওঃ এমদাদ উল্লাহ। আহ্বায়ক এ কে আর তালেব সদস্য সচিব এইচ এম আব্বাস খান সিনিয়র সদস্য রহিম উল্লাহ রিয়াদ ও মাহমুদুল হাসান ত্বকী ও সাইফুল ইসলাম মোশাররফ হোসেন রাফি সহ অনেকে আয়োজনে সাধারণ ছাত্র জনতা বাঁশখালী।

বাংলাদেশ জোড়ে